Friday , April 19 2024
Breaking News
Home / National / ডিজিটাল জীবনমানে সেরা ১১০ দেশের তালিকা প্রকাশ, জানাগেল বাংলাদেশের অবস্থান

ডিজিটাল জীবনমানে সেরা ১১০ দেশের তালিকা প্রকাশ, জানাগেল বাংলাদেশের অবস্থান

গোটা বিশ্ব জুড়ে প্রযুক্তির ব্যবহার ব্যপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশেও বর্তমান সময়ে ব্যপক বিস্তার লাভ করেছে প্রযুক্তির ব্যবহার। এছাড়াও বর্তমান বাংলাদেশ সরকার দেশের বিভিন্ন সেক্টর ডিজিটাল করনে নানা ধরনের পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। তবে গোটা বিশ্বের মধ্যে ডিজিটাল জীবন-যাপনে এখনও বেশ পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। সম্প্রতি বিশ্বের ডিজিটাল জীবনমানে সেরা ১১০ দেশের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। এতে বাংলাদেশের অবস্থান ১০৩তম।

সরকার বিভিন্ন সময় বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে দেশে ও বিদেশে তুলে ধরলেও ডিজিটাল জীবনমানে বিশ্বের ১১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১০৩তম স্থানে রয়েছে। যা শেষের দেশগুলোর মধ্যে একটি। এমনকি দক্ষিণ এশিয়ায়ও বাংলাদেশ সর্বনিম্নে অবস্থান করছে। সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সার্ফশার্ক সম্প্রতি ‘ডিজিটাল কোয়ালিটি অব লাইফ ইনডেক্স ২০২১’ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। বিশ্বের ১১০টি দেশের জনগণের ডিজিটাল কল্যাণের মান নিয়ে এ প্রতিবেদন করেছে সার্ফশার্ক। সার্ফশার্কের ডিজিটাল জীবনমানের ২০২০ সালের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৮৫টি দেশের মধ্যে ৭৮তম। এবারের স্কোর শূন্য দশমিক ৩৪, যা গতবার ছিল শূন্য দশমিক ৩৫। ডিজিটাল জীবনমানে বিশ্বের শীর্ষ ১০টি দেশ হচ্ছে ডেনমার্ক, দক্ষিণ কোরিয়া, ফিনল্যান্ড, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুর, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, জার্মানি ও যুক্তরাজ্য। সবশেষে আছে ইথিওপিয়া। আর শেষের দশে বাংলাদেশও আছে।

ডিজিটাল জীবনযাত্রার মান নির্ধারণে ইন্টারনেট সামর্থ্য, ইন্টারনেটের মান, ই-অবকাঠামো, ই-নিরাপত্তা, ই-সরকার এই পাঁচটি সূচকের ওপর ভিত্তি করে সার্ফশার্কের প্রতিবেদনটি করা হয়। তালিকায় এশিয়ার ৩২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৩০তম। বাংলাদেশের নিচে আছে তাজিকিস্তান ও কম্বোডিয়া। দক্ষিণ এশিয়াতে ভারত শীর্ষে। তাদের বৈশ্বিক র্যাংকিং ৫৯ ও স্কোর শূন্য দশমিক ৫২। সূচকে ইন্টারনেট সামর্থ্যের দিক থেকে বাংলাদেশ ৮৪তম, ইন্টারনেটের মানে ৮৯, ই-অবকাঠামোতে ৮৯, ই-নিরাপত্তায় ১০৩ ও ই-সরকারে ৮৬তম। বাংলাদেশকে যেসব মানদণ্ড পেছনে রেখেছে তা হচ্ছে মোবাইল ইন্টারনেটের গতি (১১০তম), নেটওয়ার্ক রেডিনেস ইনডেক্স (৯৬তম) ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রস্তুতি সূচক (৯৬তম)।
এছাড়া বাংলাদেশের যেখানে এগিয়েছে, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট স্থায়িত্ব (১৬তম), ব্রডব্যান্ড গতি বৃদ্ধি (৪৪তম) ও মোবাইল ইন্টারনেট স্থিতিশীলতা (৫৩তম)।

অবশ্যে ডিজিটাল জীবন-যাপনে খুব সহজেই অনেক কঠিন কাজ করা সহজ হয়ে পড়েছে। এমনকি বিশ্ববাসী এক স্থান থেকে অন্য স্থানের নানা তথ্য ও সংগ্রহ করতে পারছে এই ডিজিটাল ব্যবস্থার মধ্যে দিয়ে। বাংলাদেশের ডিজিটাল মান আধুনিক করনে আপ্রান ভাবে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। এমনকি এই বিষয়ে ইতিমধ্যে গ্রহন করেছে নানা ধরনের পদক্ষেপ।

About

Check Also

আরও শক্তিশালী হয়েছে ঝড়, আজই আছড়ে পড়বে দেশের যেসব অঞ্চলে

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে যে দুই অঞ্চলের উপর দিয়ে অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঘণ্টায় ৬০ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *