Wednesday , April 17 2024
Home / Exclusive / প্রেমিকার সাথে দেখা করতে পুরো গ্রামের বিদ্যুৎ বন্ধ করে দিতেন প্রেমিক

প্রেমিকার সাথে দেখা করতে পুরো গ্রামের বিদ্যুৎ বন্ধ করে দিতেন প্রেমিক

একজন ইলেকট্রিশিয়ান গ্রামজুড়ে যে বিদ্যুৎ সিস্টেম রয়েছে সেটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার মাধ্যমে তিনি তার প্রেমিকার সাথে ডেটিং করার জন্য আসতেন। সে তার প্রেমিকার সাথে অন্ধকারে গো’পনে দেখা করার জন্য পুরো গ্রামটির বিদ্যুৎ বন্ধ করে দিতেন কারন তিনি যাতে সহজে রাতে তার প্রেমিকার সাথে দেখা করতে পারতেন। এই ঘটনা ঐ গ্রামে এক সময় জানাজানি হয়ে যায়। এরপর ঐ গ্রামের বাসিন্দারা মিলে তাকে ধরতে চেষ্টা করে এবং সফল হয়। এরপর ঐ ইলেক্ট্রিশিয়ানকে মা’/রধ’/র করে। একই সঙ্গে তার প্রেমিকার সঙ্গে তার বিয়েও পড়িয়ে দেয়।

দুবাইভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ভারতের বিহার রাজ্যের পূর্ণিয়া জেলার গণেশপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।

খবরে বলা হয়, ওই গ্রামে প্রতিদিন সন্ধ্যায় একটি নির্দিষ্ট সময়ে দুই থেকে তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকত না। এতে গ্রামটি পুরোপুরি অন্ধকারে ডুবে যেত। ঘন ঘন বিদ্যুৎ যাওয়া নিয়ে স’ন্দেহ হলে গ্রামবাসীর দাবির মুখে এ নিয়ে তদন্ত শুরু হয়।

ওই তদন্তে বেরিয়ে আসে, প্রেমিকার সঙ্গে সাক্ষাতের জন্যই বিদ্যুৎ বন্ধ রাখতেন এক ইলেকট্রিশিয়ান। এই সুযোগেই গ্রামটিতে প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে যেতেন তিনি।

ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর গ্রামবাসীরা ঐ ইলেক্ট্রিশিয়ানকে হাতেনাতে ধ’রার জন্য কৌশল নেয়। একদিন বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর গ্রামবাসী রাতে ঐ প্রেমিক এবং তার প্রেমিকাকে একসাথে গণেশপুর গ্রামের একটি সরকারি স্কুলে দেখে ফেলে। পরে ইলেকট্রিশিয়ানকে গ’নপি’/টু’নি দেয় এবং তার সাথে তার ঐ প্রেমিকাকে বিয়ে করতে বা’ধ্য করা হয়।

গণেশপুর গ্রামের একজন বাসিন্দা গত ১৪ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সেখানকার স্থানীয় একটি গণমাধ্যমকে জানান, তার প্রেমিকাকে তার সাথে বিয়ে করতে রাজি কিনা এমন প্রশ্ন করা হলে সে সম্মতি দেয় এবং ঐ গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যদের উপস্থিতিতে ইলেক্ট্রিশিয়ানের সাথে তার বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাটি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে আসার পর সেটি ভা’ইরাল হয়ে যায়।

About

Check Also

হঠাৎ গোপনে মেয়েকে নিয়ে বাংলাদেশ ছেড়ে উড়াল দিলো আলোচিত সেই জাপানি মা

জাপানি মা এরিকো নাকানো কাউকে কিছু না বলে তার বড় মেয়ে জেসমিন মালেকাকে নিয়ে গোপনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *