Friday , May 24 2024
Breaking News
Home / Exclusive / রাস্তায় ফেরি করে ব্যাগ বিক্রি করে সংসার চালানো তুষার এখন ২৫০ কোটি টাকার মালিক

রাস্তায় ফেরি করে ব্যাগ বিক্রি করে সংসার চালানো তুষার এখন ২৫০ কোটি টাকার মালিক

শেয়ার কেলেঙ্কারিতে সর্বস্ব হারানোর পর একসময় পথে বসতে হয় তাকে। তবে হাল ছাড়েননি তিনি। আবার ঘুরে দাঁড়ালেন তিনি। তারপর কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ধীরে ধীরে তাদের অর্থবিত্ত ফেরত পেতে আরম্ভ করে। আগের থেকে ভালো অবস্থানে চলে যান। পরিশ্রম আর সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে দিন বদলে যায়।

এমন অকল্পনীয়ভাবে জীবনে পরিবর্তন আসে তুষার জৈনের জীবনে। তিনি একটি সময় এসে তার বাবার সাথে রাস্তায় রাস্তায় ফেরি করে বিভিন্ন ধরনের ব্যাগ বিক্রি করতেন। সেই তুষারই এখন কয়েকশত কোটি টাকার কোম্পানির মালিক। সেখানে কর্মরত আছেন হাজারও কর্মচারি কর্মকর্তা। তুষারের এই কোম্পানি এখন নামকরা একটি ব্যাগ প্রস্তুতকার কোম্পানি যেটা বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতের অন্যতম সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৯২ সালে হর্ষদ মেহতার শেয়ার কেলে;ঙ্কারির শি’/কা’র হয়েছিলেন কয়েক হাজার মানুষ। তাদেরই একজন ছিলেন ভারতের ঝাড়খণ্ডের ব্যবসায়ী মুলচাঁদ জৈন। সব হারিয়ে পরিবার নিয়ে পথে বসেছিলেন তিনি। তারই ছেলে তুষার।এর পর ছেলের সঙ্গে মুম্বাইয়ের রাস্তায় ব্যাগ বিক্রি করতে শুরু করেন। রাস্তায় রাস্তায় ব্যাগ বিক্রি করেই সংসার চালাতে শুরু করেন তিনি।

তুষার ২০১২ সালে একটি সংস্থা গড়ে তোলেন। তুষার এই সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা। সংস্থাটি বিভিন্ন ধরনের ব্যাগ তৈরি করে। মাত্র দুবছরের মধ্যে বছরে ১০ থেকে ২০ হাজার ব্যাগ তৈরি করতে শুরু করে সংস্থাটি। তখন বছরে মোট ব্যবসা ছিল ৯০ কোটি টাকার।

২০১৭ সালের মধ্যে, কোম্পানির মোট ব্যবসা ২৫০ কোটিতে পৌঁছেছে। প্রতি বছর ৩০ থেকে ৩৫ হাজার ব্যাগ তৈরি শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি।

সাফল্যের আসার পর তিনি আর বসে থাকেননি তুষারের কোম্পানি ট্রাওয়ার্ল্ড চালু করে। যার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোনম কাপুর। তুষার এর লক্ষ্য হল আগামী ৫ বছরে কোম্পানিকে আরো বড় করার মাধ্যমে একটি বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়া। প্রতি বছর তার কোম্পানি থেকে তৈরী হয় ২৫ লক্ষ ব্যাগ। এটি বর্তমান সময়ের মধ্যে ভারতের চতুর্থ বৃহত্তম ব্যাকপ্যাক এবং ব্যাগ বিক্রয় কোম্পানি।

About

Check Also

হাত ঘুরে ৩-৪ বার সৌদি আরবে বিক্রি হচ্ছেন বাংলাদেশি নারী শ্রমিক, যারা করছে এই কাজ

সৌদি আরবে তিন-চারবার বিক্রি হচ্ছে বাংলাদেশি নারী শ্রমিক।এজেন্সি থেকে কফিল, কফিল থেকে আবারও স্থানীয় বাসিন্দা। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *