Saturday, February 4, 2023
বাড়িopinionসেই জাবি ভিসি ফারজানার গোপন সব জালিয়াতি এবং জামাত-বিএনপি প্রীতির খবর প্রকাশ...

সেই জাবি ভিসি ফারজানার গোপন সব জালিয়াতি এবং জামাত-বিএনপি প্রীতির খবর প্রকাশ করে দিলেন রব্বানী

Ads

বাংলাদেশের অন্যতম বড় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হলো জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যাল। তবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক সুনাম থাকলেও অনেক আলোচনা সমলোচনা রয়েছে এর সাবেক ভিসি ফারজানা ইসলাম এর বিরুদ্ধে। বিশেষ করে তার আমলে তিনি বার বার হয়েছেন নানা ধরনের কারনে সমালোচিত। অনেক বারই তার নাম উঠেছে দুর্নীতির অভিযোগ। এবার এ নিয়ে একটি ধারাবাহিক লেখনী লেখা শুরু করেছেন বাংলাদেশ ছাত্র লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী। নিজের ভেরিফাইড ফেইসবুক পেজ এ সেই ধারাবাহিক পর্বের ২ অংশ প্রকাশ করেছেন আজ। পাঠকদের উদ্দেশ্যে তার সেই লেখনী তুলে ধরা হলো হুবহু:-

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মহা দুর্নীতিবাজ সাবেক ভিসি ফারজানা ইসলাম কর্তৃক বিএনপি-জামাতপন্থী শিক্ষকদের বিশেষ সুবিধা প্রদান এবং তার অনিয়ম-দুর্নীতির রকমফের!

#পর্ব ২: ভিসি ফারজানা ইসলামের জামাত-বিএনপি প্রীতির ধরন ও ধারণ।
উল্লেখ্য, আদর্শিক পিতা বঙ্গবন্ধুর কর্মী হিসেবে আমি সর্বদা দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব এবং এটা একজন মুসলমান ও সুনাগরিকের ঈমানী দায়িত্বও বটে।

[সকল পর্ব লিখা শেষে আমি দুদক কার্যালয়ের সামনে অনশনে বসবো। আশা করি আপনারাও যোগ দিবেন।]

**অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম ২০১৪ সালের ০২ মার্চ তারিখে ভিসি হয়েই রাত ১১.০০টায় মাত্র একটি চিঠিতে আওয়ামীপন্থী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের প্রায় দশজন শিক্ষককে প্রক্টরিয়াল বডি থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন!! কখনও এমন অসম্মানজনকভাবে গণ অব্যাহতি দেওয়ার কোনো ঘটনা এর আগে দেশের কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটেনি!

**ফারজানা ইসলাম ভিসি পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার দেড় মাসের মাথায় ২৩/০৪/২০১৪ তারিখে আরেকটি আদেশে [স্মারক নং- রেজিঃ/সাঃ প্রঃ/১৪০৩০(১৫০)] আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদেরকে গণ অব্যাহতি দিয়ে যেসব জামাত-বিএনপিপন্থী ও মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শিক্ষকদেরকে নানারকম পদে নিয়োগ প্রদান করেছিলেন তার কিছু নমুনাঃ

# সাবেক ছাত্রদল নেতা ও বিএনপির শিক্ষক রাজনীতিতে অত্যন্ত সক্রিয়, জাতীয়তাবাদী শিক্ষক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক, দর্শন বিভাগের অধ্যাপক মোস্তফা নাজমুল মানছুর কে পদ না থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির “অতিরিক্ত ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক” নামের পদে এক উদ্ভট নিয়োগ প্রদান করে – ′সিন্ডিকেটে পদ সৃষ্টি সাপেক্ষে” উল্লেখ করে। অর্থাৎ আগে নিয়োগ দিয়ে পরে সিন্ডিকেটে পদ সৃষ্টি করে তা কার্যকর করেন ফারজানা ইসলাম!

# পদ না থাকা সত্ত্বেও অনুরূপ উদ্ভট পন্থায় পদ সৃষ্টি সাপেক্ষে উল্লেখ করে আরেক বিএনপি পন্থী শিক্ষক কম্পিউটার সায়েন্সের আবু সাঈদ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান চয়নকে ইন্টারনেট সার্ভিসেস এর “অতিরিক্ত ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক” পদে নিয়োগ দেন।

# বিএনপিপন্থী শিক্ষক কম্পিউটার সায়েন্স এর মো. এমদাদুল ইসলামকে ইন্টারনেট সার্ভিসেস এর “ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক” পদে নিয়োগ দেয় আওয়ামীপন্থী শিক্ষক জনাব ফরিদ আহমদকে অব্যাহতি দিয়ে!! এই এমদাদুল ইসলাম আবার জোট সরকারের আমলের রাতের ভিসি অধ্যাপক জসিম উদ্দিন আহমদের প্রক্টর অধ্যাপক এনামুল্লাহ পারভেজের স্ত্রীর বড় ভাই হন। উল্লেখ্য, প্রক্টর এনামুল্লাহ পারভেজ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথম প্রক্টর হিসাবে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদেরকে ছাত্রদল দিয়ে মার খাওয়াতেন, অভিভাবকের পদে থেকেও অনভিভাবকসুলভ আচরণ করতেন – ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণে অতি পারিদর্শিতা দেখিয়েছেন।

# ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের সহকারী পরিচালকের পদ থেকে ভিসির নিজ বিভাগের আওয়ামীপন্থী শিক্ষক রেজওয়ানা করিম স্নিগ্ধাকে অব্যাহতি দিয়ে সেই পদকে আপগ্রেড করে অতিরিক্ত পরিচালক বানিয়ে সেখানে জামাত ঘরানার বিএনপিপন্থী শিক্ষক দর্শন বিভাগের অধ্যাপক তারেক চৌধুরিকে নিয়োগ দেয় ফারজানা ইসলাম।

# বিএনসিসির ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক পদ থেকে আওয়ামীপন্থী শিক্ষক ড. শাহেদুর রহমানকে অব্যাহতি দিয়ে সেখানে নিয়োগ দেয় শিবিরের কর্মী ও এখন বিএনপিতে অবস্থানকারী ভূগোল বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলামকে।

# ছাত্রদল নেত্রী এবং জোট সরকারের দুর্নীতিবাজ ভিসি অধ্যাপক খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমানের বিশেষ বান্ধবী হিসাবে জাবি ক্যাম্পাসে বহুল গুঞ্জরিত বাংলা বিভাগের শিক্ষিকা অধ্যাপক শামীমা সুলতানা লাকি কে ০২ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে বেগম খালেদা জিয়া হলের প্রোভোস্ট নিয়োগ দেয় ভিসি ফারজানা ইসলাম। বিএনপিপন্থী আরেক শিক্ষক গণিত বিভাগের অধ্যাপক ফারুক আহমেদ কে ২৭ এপ্রিল ২০১৪ তারিখ থেকে নওয়াব ফয়জুন্নেসা হলের প্রেভোস্ট এবং জামাত-শিবিরের সাথে যুক্ত বলে ছাত্রজীবনে পরিচিত ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মোঃ শাহেদুর রশিদকে ২৩/০৪/২০১৪ তারিখে ফজিলাতুন্নেসা হলের প্রভোস্ট নিয়োগ দেয় ভিসি ফারজানা ইসলাম।

# জিয়া পরিষদ, জাবি শাখার সভাপতি অধ্যাপক আ.ফ.ম. উবায়দুর রহমানের ছোট ভাই এবং ভিসি অফিসে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীদের দিয়ে ছাত্রলীগকে প্রহার করানো ভিসি মুস্তাহিদুর রহমানের অতি ঘনিষ্ঠ এবং জোট সরকারের সময়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কল্যাণ উপদেষ্টা সহ নানা পদে থাকা ইতিহাসের অধ্যাপক এটিএম আতিকুর রহমানকে ফজিলাতুন্নেসা হলের প্রভোস্ট নিয়োগ দেয় ভিসি ফারজানা ইসলাম ১১/০৪/২০১৮ তারিখে [স্মারক সংখ্যাঃ- রেজিঃ/টিচিং/৬৮৪৬(১৫০)]।

# শিবিরের রাজনীতিতে সংশ্লিষ্টতায় অভিযুক্ত বিএনপি পন্থী শিক্ষক ড. আলী আজম তালুকদারকে শহীদ সালাম-বরকত হলের প্রভোস্ট ও পরিবহন পুলের পরিচালক পদে নিয়োগ দেয় ফারজানা ইসলাম [স্মারক সংখ্যাঃ- রেজিঃ/টিচিং/৬৮৪৬(১৫০), তারিখঃ ১১/০৪/২০১৮]। এই আলী আজম তালুকদারকে ভিসি ফারজানা ইসলামের স্বামী আখতার হোসেন ও পুত্র প্রতীক হাসানের মদ সরবরাহকারী আখ্যায়িত করে বিভিন্ন পত্রিকায় একাধিক খবর বেরিয়েছে। উপরন্তু পত্রিকার খবর অনুযায়ী আলী আজম তালুকদারের বিরুদ্ধে হরেকরকম আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। আলী আজম তালুকদার আইন ভঙ্গ করে একটি মাইক্রোবাস ব্যবহার করতো, যার পেছনে ব্যায় হতো বছরে ৯ লাখ টাকার অধিক। পরিবহন পুলের সার্বিক দায়িত্বে থাকা মুক্তিযোদ্ধা প্রোভিসি অধ্যাপক আমির হোসেনকে উপেক্ষা করে আলী আজম তালুকদার পরিবহন পুলের গাড়ি ব্যবহার করতো। এর অন্যতম কারণ হিসাবে জানা যায় যে, আলী আজম তালুকদার এই গাড়িতে করে মদ ও ….রী সরবরাহ করতো ভিসি ফারজানার স্বামী ও পুত্রকে। ফারজানা পুত্র প্রতীক হাসান ও আলী আজম তালুকদার উভয়েই আবার গৃহকর্মীকে অন্তঃসত্ত্বা করায় বেশ পটু (খবরের স্ক্রিণশট দেওয়া আছে)।

# অর্থনীতি বিভাগের বিএনপিপন্থী শিক্ষক সহযোগী অধ্যাপক আয়েশা সিদ্দিকাকে গত ০২/০৭/২০১৯ তারিখ থেকে প্রীতিলতা হলের প্রভোস্ট নিয়োগ দেয় ভিসি ফারজানা ইসলাম।

# দর্শন বিভাগের আরেক বিএনপি পন্থী শিক্ষক ও জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সমাজ কল্যাণ সম্পাদক অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান এর ভাইগ্না (জ্যাঠাসের ছেলে) সিয়াম কিবরিয়াকে ভুয়া খেলোয়াড় কোটায় ফুটবলার হিসাবে ২০১৪ সালে অর্থনীতি বিভাগের ৪৩ তম ব্যাচে ভর্তি করান ভিসি ফারজানা ইসলাম [স্মারক সংখ্যাঃ- রেজিঃ/শিক্ষা-১/১৯০৭৯(১২০), তারিখঃ ১৯/০৬/২০১৪]। উল্লেখ্য, এই কামরুল আহসানের বিরুদ্ধে নিয়োগ ও ভর্তি বাণিজ্যের নানা অভিযোগ ও গুঞ্জণ আছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। সরকারের নিকট সাবেক ভিসি অধ্যাপক খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান সহ তার সহযোগি এই কামরুল আহসানদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগও ছিলো ভর্তি ও নিয়োগ বাণিজ্য সহ নানারকম অনিয়ম-দুর্নীতি বিষয়ক। সরকার তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছিলো ২০০৯ সালে। কিন্তু সরকারের এই নির্দেশ মোতাবেক তদন্ত না করে বরং এসব দুর্নীতিবাজদের সাথে নিয়েই ফারজানা ইসলাম গংরা নানারকম বাণিজ্য তথা – কমিশন, ভর্তি, নিয়োগ, ইত্যাদি বাণিজ্যের প্রসার ঘটিয়েছে কয়েকশত গুণ।

# টাকার বিনিময়ে ভর্তির দুর্নীতি হাতে-নাতে ধরা পড়ার পরও ফারজানা ইসলাম ব্যবস্থা না নিয়ে প্রশ্রয় দেন। নাতনিকে মেয়ে দেখিয়ে পোষ্য কোটায় ভর্তির দুর্নীতির বিরুদ্ধে একাধিক রিপোর্ট হলেও ফারজানা ইসলাম এসবকে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করেছিলেন। ব্যাপক দুর্নীতি হয় মুক্তিযোদ্ধা কোটা সহ বিভিন্ন কোটার ভর্তিতে। ভর্তি সংশ্লিষ্ট সকল অনিয়ম-দুর্নীতির সাথে ফারজানা ইসলাম নিজেই যুক্ত ছিলেন। এসব ভর্তি বাণিজ্য নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট করেছে প্রথম আলো; ইত্তেফাক, বাংলাদেশ প্রতিদিন, দৈানক যুগান্তর; শিক্ষাঙ্গন; বাংলামেইল২৪.কম; বিডিলিইভ২৪; ইনকিলাব সহ বহু পত্রিকা। কিন্তু অদ্যাবধি কোনও ব্যবস্থা গৃহীত হয়নি।

# “দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর” গ্রুপে বিগত ১১ নভেম্বর ২০১৯ তারিখের একটি পোস্ট থেকে জানা যায়, বিএনপিপন্থী শিক্ষক ও ছাত্রদলের সাবেক তুখোর নেতা গণিতের অধ্যাপক মোঃ নজরুল ইসলাম এর স্ত্রীকে আইআইটি তে চাকুরি দেওয়ার বিনিময়ে ফারজানা ইসলাম তাকে দলে ভেড়ায়। আরেক বিএপিপন্থী দুর্নীতিবাজ শিক্ষক গণিতের অধ্যাপক মোঃ শরীফ উদ্দিন (তার বিরুদ্ধে শিবির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আছে) বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের কোম্পানি ”রোসেতা বিডি লি.” থেকে ২ কোটি টাকা লুটপাট করার পর ফারজানার পতাকাতলে আশ্রয় নেয়। আরও জানা যায় রাতের ভিসি অধ্যাপক জসিম উদ্দিন আহমদ এর অপদার্থ প্রক্টর অধ্যাপক এনামুল্লাহ পারভেজ কানাডিয় নাগরিক হিসাবে বছরের পর বছর বেআইনভাবে ছুটি ভোগ করে চলেছে। বছরের অধিকাংশ সময়ই সে কানাডায় বসবাস করে বাংলাদেশের চাকুরি বহাল রেখেছে। উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের আরেক সুবিধাবাদি বিএনপিপন্থী শিক্ষক এবং ছাত্রদলের সাবেক এক কেন্দ্রীয় নেতার বউ ড. মেহের নিগার কবিতা বিগত বারো বছরের অধিকাংশ সময়ই ছুটিতে কানাডায় বসবাস করে চাকুরি বহাল রেখেছিলো ফারজানা ইসলামের কল্যাণে। সে পূর্ণ অধ্যাপক হয়ে চাকুরি থেকে অবসর নিয়ে গরীব দেশ থেকে পুরো পেনশনের টাকা নিয়ে কানাডায় পাড়ি জমিয়েছে। এসব অনিয়ম-দুর্নীতির পৃষ্ঠপোষক ফারজানা ইসলাম ও ফারজানাকে সমর্থন যুগানো সকল ব্যাক্তির শাস্তির দাবিতে দেশপ্রেমিক মানুষেরা আমার পাশে থাকবেন বলেই আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।

জাতির পিতা কিন্তু বারংবার বলেছেন- “দুর্নীতিবাজদের খতম করতে হবে।”
(চলবে…)

প্রসঙ্গত, জাবির ভিসি ফারজানা ইসলামের আমলে বেশ সমালোচিত হয়েছিলেন গোলাম রব্বানী নিজেও। দুর্নীতির টাকার ভাগ নেয়ার অপরাধে তার নামেও অনেক খবর প্রকাশ হয়। জাবির ১ কোটি ৬০ লক্ষ দুর্নীতির টাকা ভাগাভাগি করে নিয়েছিলেন তিনি এবং সাবেক ছাত্র লীগ সভাপতি। আর এই টাকা ভাগ করে দিয়েছিলেন ভিসির ফারজানা ইসলাম নিজেই। অবয়স এ বিষয়টি তারা উভয়ই অস্বীকার করেন একটা সময়।

Looks like you have blocked notifications!
Ads
[json_importer]
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

Most Popular

Recent Comments