Sunday, October 2, 2022
বাড়িopinionবাংলাদেশের ইন্টেলিজেন্স সিস্টেম ধ্বংস হয়ে গেছে,সীমান্তের ওপারে বার্মিজ সেনা আছে তা অজানা...

বাংলাদেশের ইন্টেলিজেন্স সিস্টেম ধ্বংস হয়ে গেছে,সীমান্তের ওপারে বার্মিজ সেনা আছে তা অজানা : শামসুল

Ads

বাংলাদেশের সীমান্তে একের পর এক গোলাবর্ষণ করছে মিয়ানমার, আতঙ্কে রীতিমত সীমান্ত এলাকা ছাড়তে শুরু করেছে ওই এলাকার সাধারণ মানুষ তবে মিয়ানমারের এই হামলার বিষয়ে তেমন জোরালো কোন পদক্ষেপ না নেওয়ায় অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সামাজিক জোগাজোগ মাধ্যমে অনেকেই নানা মত দিচ্ছেন তারই ধারাবাহিকতায় এবং একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন লেখক ও বিশ্লেষক সামসুল আলম। নিচে তার স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হল –

মিয়ানমারের সাথে একটা সংক্ষিপ্ত যুদ্ধেও আমাদের অবস্থা হবে ছ্যাড়াব্যাড়া! কারণ কি?
🤔
কারণ, আমাদের ইন্টেলিজেন্স সিস্টেম ধ্বংস হয়ে গেছে। বাংলাদেশের অস্তিত্বের শত্রুদের উপর নজর রাখার মতো কোন মেকানিজম অবশিষ্ট নেই! এ তো গেলো বাংলাদেশী জেমস বন্ডদের কাহিনী। এবার আসুন আসল জায়গায় হাত দেয়া যাক:
আধুনিক বিশ্বে একটা রাষ্ট্র টিকে থাকে তার মিলিটারির C4I এবং ISR’র উপর। এ দু’টি কি জিনিস? ওয়েল, এখানে ব্রিফলি বুঝা যাক-

C4I হলো চারটি C এবং একটি I, যার ফুল ফর্ম হচ্ছে Command, Control, Communications, Computers & Intelligence. অর্থাৎ, কম্যান্ড (নির্দেশনা), কন্ট্রোল (নিয়ন্ত্রণ), কম্যুনিকেইশান্স (যোগাযোগ), কম্পিউটার্স (কম্পিউটারের সমন্বিত একটি যুদ্ধ পর্যবেক্ষণ সিস্টেম) এবং ইন্টেলিজেন্স (গোয়েন্দা তথ্য)।

 

একটি সি৪আই সিস্টেম মূলত ISR এর উপর নির্ভরশীল! ISR’র ফুল ফর্ম Intelligence, Surveillance and Reconnaissance. আইএসআর একটি হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়! ভূমিভিত্তিক নজরদারি র‍্যাডার স্টেশান, আর্লি ওয়ার্নিং র‍্যাডার এন্ড সেন্সর যুক্ত এয়ারক্রাফট, ড্রোন, যুদ্ধজাহাজ, স্যাটেলাইট, হেলিকপ্টার কিংবা আইএসআর সরঞ্জাম যুক্ত সাঁজোয়া যুদ্ধযান ইত্যাদি হলো ISR কম্পোনেন্ট!
আইএসআর ছাড়াও কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি সমূহের সংগৃহীত গোয়েন্দা তথ্য, রাজনৈতিক নেতৃত্বের মতামত ইত্যাদি মিলিয়ে একটি C4I কাজ করে।

অর্থাৎ C4I একাধারে একটি সফটওয়ার চালিত ভৌত প্রাযুক্তিক, মনুষ্য ও সেন্সর প্রাপ্ত তথ্য (অস্পৃশ্য) এবং সামরিক-রাজনৈতিক নেতৃত্ব কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্তের সমন্বিত সিস্টেম।
বাংলাদেশের কোন সমন্বিত C4I কম্পোনেন্ট নেই। আছে কিছু বেসিক কম্যুনিকেইশান ইক্যুইপমেন্ট এন্ড ইনস্ট্রুমেন্ট।
বাংলাদেশ জানেই না ঘুমধুম সীমান্তের ওপারে বার্মিজ আর্মির ঠিক কি পরিমাণ সেনা আছে, কি কি হেভি ইক্যুইপমেন্ট তারা সেখানে মোতায়েন করেছে, কতগুলো সেনা ক্যাম্প স্থাপন করে তারা বান্দরবানে অপারেশান চালাচ্ছে?

 

এই না জানার পিছনে মূলত সরকারি অনীহা দায়ী! রাষ্ট্রের ৯৫% রিসোর্স বিনিয়োগ করা হয়েছে অবৈধ বা ম্যান্ডেটহীন ক্ষমতা সুরক্ষিত রাখার জন্য! তিক্ত সত্য এটাই। এবং এই সত্যটা বলাও যায়না, বিশেষ মহলের দৃষ্টিতে তা অপরাধ!

Looks like you have blocked notifications!
Ads
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

Most Popular

Recent Comments