Monday, January 30, 2023
বাড়িConutrywideবুয়েট ছাত্র ফারদিন এর ঘটনা: সামনে এল সেই চন পাড়ার চাঞ্চল্যকর একটি...

বুয়েট ছাত্র ফারদিন এর ঘটনা: সামনে এল সেই চন পাড়ার চাঞ্চল্যকর একটি ভিডিও (ভিডিও)

Ads

বুয়েটের ছাত্র ফারদিনের না ফেরার দেশে চলে যাওয়ার ঘটনাটি নিয়ে সারা দেশে চলছে আলোচনা এবং এই ঘটনার আসল উদ্দেশ্য কি এবং কি এমন ঘটেছিল যার কারনে ফারদিনের সাথে এমন ঘটনা ঘটল তা নিয়ে মানুষে মধ্যে রয়েছেন নানা কৌতুহূল। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা চেষ্টা করছে ঘটনার কারন এবং উদ্দেশ কি ছিল তা উদঘটনের।

রূপগঞ্জের কায়েত পাড়া ইউনিয়নের চানপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্র এলাকাটি ‘চাঁনপাড়া বস্তি’ নামে পরিচিত। তবে স্থানীয়দের মতে, চনপাড়া বস্তি এলাকা যেন নিষিদ্ধ দ্রব্যের সদর দপ্তর। দীর্ঘদিন ধরে এখানে প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ দ্রব্যে ব্যবসা চলছে। কিন্তু বস্তির সর্বত্র নিষিদ্ধ দ্রব্য নির্মূল কমিটির নামে বড় বড় বিলবোর্ড রয়েছে। আর নিষিদ্ধ দ্রব্যে নির্মূল কমিটির দায়িত্বে যারা আছেন, স্থানীয়রা বলছেন, নিষিদ্ধ দ্রব্য এর গডফাদার হিসেবে এলাকায় পরিচিত।
মৃত্যুর আগে এই চানপাড়াই ছিল বুয়েটের ছাত্র ফারদিনের শেষ অবস্থান। এরপর থেকে প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে চনপাড়ার ভয়ঙ্কর সব তথ্য। ২৩টি নিষিদ্ধ দ্রব্য মামলার আসামি রাশেদুল ইসলাম শাহীন ওরফে সিটি শাহীনকে সম্প্রতি র‌্যাব না ফেরার দেশে পাঠিয়েছে এ ঘটনায় বস্তিবাসীর মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও আতঙ্কের শেষ নেই। শাহিনদের বিরুদ্ধে এখনো প্রকাশ্যে কথা বলতে চান না কেউ।

পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক বস্তির এক বাসিন্দা বলেন, শাহীন চলে যাওয়ায় ৫ মাস পর এখন প্রকাশ্যে এলাকায় ঘোরাফেরা করতে পারছি। আমি গত ৫ মাস ধরে পলাতক ছিলাম। শাহীনের নিষিদ্ধ দ্রব্য ব্যবসা সংক্রান্ত র‌্যাবের একটি মামলায় আসামি হওয়ায় এলাকা থেকে আমাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। আমার মতো অনেকেই কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন। কিন্তু আতঙ্কের শেষ নেই, কারণ শাহীন চলে গেলেও তার গডফাদার বজলু বেঁচে ছিলেন।

প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত চনপাড়া বস্তিতে প্রায় এক লাখ মানুষের বসবাস। ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত কায়েত পাড়া ইউনিয়ন এই বস্তিকে ঘিরে। স্থানীয়রা বলছেন, এই ৯টি ওয়ার্ডই নিয়ন্ত্রণ করছেন স্থানীয় সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান বজলুর রহমান বজলু। আর এই বজলুর নিষিদ্ধ দ্রব্য সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রিত ছিল সিটি শাহীন ও রায়হানের কিছু বাহিনী। তবে শাহিন চলে যাওয়ার পর এলাকায় নতুন হুমকি বজলুর-রায়হান বাহিনী।

চনপাড়ার বস্তিবাসী বজলুর কাছে এতটাই অসহায় যে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ তো দূরের কথা, কেউ কথা বলতে সাহস পায় না। বজলুর বিরুদ্ধে কথা বলার এক ঘণ্টা পর মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে চাঁনপাড়ায় তল্লাশি করতে গেলে একজন ভুক্তভোগী তার বক্তব্য প্রচার না করার জন্য বিশেষ অনুরোধ করেন। বজলুর সাঙ্গপাঙ্গরা প্রচার করলে তার পরিবারকে আক্রমণ করার হুমকি দেয়। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত বজলুরের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বাসায় ও অফিসে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

উল্লেখ্য,গত ৪ নভেম্বর নিখোঁজ হয়েছিলেন বুয়েট ছাত্র ফারদিন নূর, নিখোঁজের তিন দিন পর শীতলক্ষ্যা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার বান্ধবী আমাতুল্লাহ বুশরাকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। এর প থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধমে এবং গণমাধমে তাকে নিয়ে নানা আলোচনা উঠে

Looks like you have blocked notifications!
Ads
[json_importer]
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

Most Popular

Recent Comments