Tuesday, January 31, 2023
বাড়িConutrywideমেয়ের ঘটনায় এরশাদ শিকদারের স্ত্রীর অভিযোগ: প্রভাবশালীর সন্তান হওয়ায় প্লাবনকে গ্রেপ্তার করেনি...

মেয়ের ঘটনায় এরশাদ শিকদারের স্ত্রীর অভিযোগ: প্রভাবশালীর সন্তান হওয়ায় প্লাবনকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ

Ads

দীর্ঘদিন প্রেমের পর প্রেমিক প্লাবন ঘোষকে বিয়ের প্রস্তাব দিতেই তা প্রত্যাখ্যান করায় রীতিমতো মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন জান্নাতুল নওরীন এশা। আর এরই জের ধরে শেষমেষ প্রেমিককে ভিডিও কলে রেখে আ’ত্মহ’ন’নের পথ বেঁচে নেন এশা। তবে এ ঘটনায় এখনও অনেক ফরেনসিক প্রতিবেদন পায়নি পুলিশ।

আর সেহেতু সহসা এ আত্ম’হ”ন’নে’র প্ররোচনার মা’ম’লা’য় অভিযোগপত্র অথবা চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিচ্ছে না পুলিশ।

এশার অন্যতম পরিচয় হলো- তিনি খুলনার বহুল আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী (প্রয়াত) এরশাদ শিকদারের মেয়ে।

মৃত এশাকে আ’ত্ম’হ’ন’নে’য় প্ররোচনার অভিযোগে প্রেমিক প্লাবন ঘোষের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় ইতিমধ্যেই আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন তিনি। তবে এশার মা অভিযোগ করেছেন, পুলিশ তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেনি। তাই এ মামলার বর্তমান অবস্থা তিনি জানেন না।

রোববার বিকেলে ঢাকাটাইমসের সঙ্গে আলাপকালে সানজিদা নাহার শোভা ঢাকাটাইমসকে বলেন, পুলিশ কোনো চার্জশিট দিয়েছে কিনা জানি না। তারা এখনো আমার সাথে যোগাযোগ করেনি।’
গুলশান থানার একটি সূত্র জানায়, আসামি প্লাবন ঘোষ ইতিমধ্যে আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এশার বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনে ডিজিটাল প্রযুক্তির সাহায্যে তদন্তের পর প্লাবন ঘোষ আ’ত্ম’হ”ন’নে’ প্ররোচনা দিয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এশার ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেয়েছে পুলিশ।

চলতি বছরের ৩ মার্চ রাতে গুলশানের শাহজাদপুরের সুবাস্তু নজরভালির একটি ফ্ল্যাটে প্রেমিক প্লাবন ঘোষকে ভিডিও কলে আটকে ‘রে’খে’ প্রান দেন এশা। এ ঘটনায় এশার মা এ’রশাদ শিকদা’রের দ্বিতীয় স্ত্রী সানজিদা আক্তার শোভা বাদী হয়ে গুলশান থানায় মা’ম’লা করেন। মামলায় এশার প্রেমিক প্লাবন ঘোষকে আসামি করা হয়। মামলার পর থেকে গুলশান থানা পুলিশ দাবি করে আসছে প্লাবন পলাতক।

এশার মা সানজিদা নাহার শোভা বলেন, ‘প্লাবন ঘোষ বিক্রমপুর মিষ্টির দোকানের মালিকের ছেলে। প্রভাবশালী ব্যবসায়ীর ছেলে হওয়ায় পুলিশ ইচ্ছাকৃতভাবে প্লাবনকে গ্রেপ্তার করেনি। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারত। পুলিশের গাফিলতির কারণে প্লাবন ঘোষ এখন আদালত থেকে জামিন নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

এদিকে এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই ওয়াহিদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের জানান, অনেক আলামত ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত অনেক প্রতিবেদন হাতে আসেনি। এ সকল প্রতিবেদন পেলেই সময় নষ্ট না করেই তাকে আদালতে জমা দেয়া হবে বলেও নিশ্চিত করেছেন এসআই ওয়াহিদুল ইসলাম।

Looks like you have blocked notifications!
Ads
[json_importer]
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

Most Popular

Recent Comments