Sunday, February 5, 2023
বাড়িpoliticsসরকারের দুই মন্ত্রী আমার ওপর দায় চাপানোর অপচেষ্টা করেছেন : শিমুল বিশ্বাস

সরকারের দুই মন্ত্রী আমার ওপর দায় চাপানোর অপচেষ্টা করেছেন : শিমুল বিশ্বাস

Ads

দেশের বিভিন্ন বিভাগে চলছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সমাবেশ, তাদের নেতাকর্মীদের বিরুধ্যে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের ঊর্ধ্বগতিতে তারা আন্দোলনে নেমেছে। তবে দেখা যাচ্ছে তাদের আন্দোলন সমাবেশ গণপরিবহন বন্ধ থাকছে তারা অভিযোগ করছেন সরকার এর নির্দেশে পরিবহন বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে

জ্বালানি ও নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুতের লোডশেডিং, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি, তারেক রহমানসহ দলের নেতাদের বিরুদ্ধে সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার প্রতিবাদে দেশের ১০টি সাংগঠনিক বিভাগে গণসমাবেশ ডেকেছে বিএনপি। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, খুলনা ও রংপুরে গণসমাবেশ হয়েছে। চট্টগ্রাম ছাড়া বাকি তিন বিভাগে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেয় পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনগুলো।

বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বিএনপির বিভাগীয় পর্যায়ের সমাবেশকে ঘিরে বিএনপি নেতাদের ওপর হরতালকে দায়ী করে সরকারের দুই মন্ত্রীর বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। যেহেতু এটি সম্পূর্ণরূপে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য দ্বারা অনুপ্রাণিত, অসৎ উদ্দেশ্য এবং শিষ্টাচারের বাইরে। . এ বিষয়ে তিনি গণমাধ্যমে বিবৃতি দেন।

সোমবার (৩১ অক্টোবর) তিনি বলেন, সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের পদে থাকার কারণে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের কৌশলে এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. শুক্রবারের ধর্মঘটের জন্য হাছান মাহমুদ সরাসরিসরাসরি ধর্মঘটের দায় আমার ওপর চাপানোর অপচেষ্টা করেছেন। যা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও নিন্দনীয়।

বাস্তবতা হলো, সারাদেশে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশকে ঘিরে গণপরিবহন ধর্মঘটের বিরোধী অধিকাংশ পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। তাদের সিদ্ধান্তে এই ধর্মঘট হচ্ছে না।

তিনি বলেন, সরকার ও প্রশাসন চাপের মুখে এই ধর্মঘট সৃষ্টি করছে। এতে মালিক-শ্রমিক নয়, সরকার জড়িত। মূলত বিএনপির জনসভায় যাতে কম বিএনপি আসে সেজন্য পুলিশ ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা বিএনপির সমাবেশকে ঘিরে যানবাহন বন্ধ রাখতে বাধ্য করেছে। সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় ডাকা এই ধর্মঘটে মালিক-শ্রমিকদের ক্ষতি হচ্ছে। সরকার শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা দেওয়ায় পরিবহন সেক্টরের নিরীহ মালিক-শ্রমিকরা রাজনৈতিকভাবে অভিযুক্ত হচ্ছেন। সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে মালিক-শ্রমিকদের।

আর ক্ষমতাসীন দলের নেতা-মন্ত্রীরা অসৎ কৌশল অবলম্বন করে বিরোধী দলের কর্মী ও মালিক নেতাদের নাম ব্যবহার করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের চেষ্টা করছেন। তবে তাদের এই কৌশল, রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করেনি।

শিমুল বিশ্বাস বলেন, বিরোধী রাজনৈতিক দলের গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে বাধা দিতে সরকারের প্ররোচনায় সড়ক পরিবহন সেক্টরের মালিক-শ্রমিকরা এই ধর্মঘটের বিরুদ্ধে। সরকারের পক্ষ থেকে বিএনপির পরবর্তী সমাবেশকে ঘিরে কোনো ধর্মঘট হলে শ্রমিক-মালিকরা এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে।

উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে বিএনপি খুলনায় সমাবেশ করেছে এবং সেখানে দেখা গিয়েছিল সব ধরণের পরিবহন বন্ধ ছিল এবং সেই কারনে নেতাকর্মীদের অনেকে পায়ে হেটে সমাবেশে বিভিন্ন জায়গা থেকে এসেছিলেন এবার দেখা যাচ্ছে বরিশালেও একই ঘটনা ঘটতে চলেছে

Looks like you have blocked notifications!
Ads
[json_importer]
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

Most Popular

Recent Comments