Sunday, February 5, 2023
বাড়িNationalএখন কী হলো, আসলে আল্লাহর মাইর, দুনিয়ার বাইর : প্রধানমন্ত্রী

এখন কী হলো, আসলে আল্লাহর মাইর, দুনিয়ার বাইর : প্রধানমন্ত্রী

Ads

৭৫ সালের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে না ফেরার দেশে পাঠানোর মালার আসামিদের সাজা না দিয়ে তাদের পুরস্কৃত করা হয়েছে এবং তাদের দূতাবাসে চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সেই সাথে তাদের দুই বোনকে দেশে আসর নিষেধাজ্ঞাও জিয়া দিয়েছেলেন বলে জানান তিনি।

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিএনপির গঠনতন্ত্র সম্পর্কে বলেছেন, সংবিধান লঙ্ঘনের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে তারা নিজেরাই চেয়ারম্যান বানিয়েছেন। জিয়াউর রহমান আমার বাবা-মা ও ভাই কে না ফেরার দেশে পাঠানোর আসামি। সাজাপ্রাপ্ত আসামীদের দল আবার এত কথা বলে কিভাবে? বিএনপি ক্ষমতায় এসে আমাদের নেতা-কর্মীদের সাথে নেতিবাচক কর্মকান্ড করেছে, আওয়ামী লীগ কিছুই করেনি।
প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বলেছেন, আমি প্রধানমন্ত্রী হওয়া তো দূরের কথা, বিরোধী দলের নেতাও হতে পারব না। এখন কি হলো, আসলে আল্লাহর মাইর, দুনিয়ার বাইরে!’

সোমবার (১৪ নভেম্বর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ৫৯টি জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের শপথ গ্রহণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জিয়াউর রহমান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মামলার আসামিদের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করেছিলেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে তৃণমূলকে শক্তিশালী করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাকে তা করতে দেওয়া হয়নি। তিনি তা করতে পারলে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া নয়, বাংলাদেশ স্বাধীনতার ১০ বছরের মধ্যেই বিশ্বে উদাহরণ হয়ে উঠত। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে নাফেরার দেশে পাঠানো হয়।

১৫ আগস্ট পরিবারের অন্য সদস্যদের বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, রেহানা ও আমি বিদেশে থাকায় বেঁচে যাই। আমি একজন উদ্বাস্তু হিসেবে বসবাস করি। দেশে আসতে পারিনি। কারণ মোস্তাক প্রথমে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, জিয়াউর রহমান সামরিক আইন জারি করে নিজেকে একদিকে সেনাপ্রধান, অন্যদিকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন।যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছিল যাতে তাদের বিচার না হয়। তাদেরকে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়। শুরু হয় দায়মুক্তির সংস্কৃতি। আর আমাদের দেশে না আসার নির্দেশ দিয়েছেন। জিয়াউর রহমান রেহানার পাসপোর্টও নবায়ন করেননি। নিষিদ্ধ. আমি ৬ বছর বিদেশে ছিলাম। পরে চ্যালেঞ্জ নিয়ে দেশে ফিরেছি।

এ সময় তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করেছিলেন। জিয়াউর রহমান তাদের সবাইকে মুক্তি দিয়ে ক্ষমতায় বসান।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুকে যারা না ফেরার দেশে পাথি দিয়েছিল তাদের পক্ষ নিয়ে তাদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা করে দিয়েছিলেন এবং তাদের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরির সুযোগ করে দিয়েছেন এমন অভিযোগ তুলে আজ সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বক্তব্য রাখেন।

Looks like you have blocked notifications!
Ads
[json_importer]
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

Most Popular

Recent Comments